বইয়ের মেলা বছড়জুড়ে, বই কিনুন কিশেষ ছাড়ে প্রি-অর্ডার করলেই ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি- প্রি-অর্ডার করতে ক্লিক করুন
সাফল্য যখন হাতের মুঠোয়নিমগ্ন ঘোরের ডেরাচিরকুমার দুঃখগুলোস্মৃতি ও শ্রুতিতে মানিকগঞ্জের মুক্তিযুদ্ধtest product by oniচন্দ্রাবতী ও অন্যান্য কবিতাtest book from reja shopপাখিদের পাঠশালাবাংলা বানান: ভুল-শুদ্ধচোখের আড়াল হলে জুড়ে বসো মনেসাফল্য যখন হাতের মুঠোয়

0
earphonemobile chargersmartphoneiphone 15 pro maxearphone

বাংলাদেশ পাখির দেশ। ছড়া-কবিতা ও গানের দেশ। ফুল-প্রজাপতির দেশ। বন-বনানী, জলাভূমি, হাওর-বিল, নদী-খালের দেশ। এখানকার নিসর্গ পাখিতে ভরপুর। এখানে প্রায় সাতশ রকমের পাখি আছে। বাংলাদেশের পাখিদের নামও খুব আদুরে। যেমন- ফুটফুটি, বসন্তবৌরি, ফুলঝুরি, ভরত, চশমা পাখি, নীলকণ্ঠ, মুনিয়া, সহেলি, হলদে বউ, কমলা বউ, নীলপরি, শ্যামা, দোয়েল, বুলবুলি, চড়ুই, মথুরা, রঙ্গিলা বক, ডুবুরি, পাপিয়া, রাঙ্গাহালতি ইত্যাদি। নামগুলো মন ছুঁয়ে যায়। এদের কণ্ঠ সুরেলা। তাদের গানে প্রাণ ভরে। কবি ও কথাসাহিত্যিক মানজুর মুহাম্মদ দীর্ঘদিন ধরে পাখি নিয়ে গবেষণা করছেন। ইতঃপূর্বে তাঁর পাখি বিষয়ে সাতটি গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। প্রত্যেকটি গ্রন্থ পাঠকের মন জয় করেছে। ‘পাখিদের পাঠশালা’ তাঁর পাখি বিষয়ক অষ্টম গল্পগ্রন্থ। এখানে মোট নয়টি গল্প আছে। গল্পগুলো হলো- ছোট্ট বাব্ইু প্রাণের বাবুই, সোহাগি গ্রামের ভীমরাজ, আমার পাখি কথা বলে, বগাদের বাড়ি, পাখিদের পাঠশালা, সাত পাখির দল, চাঁদসোয়ারি বনের গল্প, অমর সঙ্গী , এই দেশ পাখিরও। নাম গল্প ‘পাখিদের পাঠশালা’তে দেখা যায়— পাখির ছানারাও স্কুলে যায়। বন তিতির পাখিদের পাঠশালা পরিচালনা করে। গল্পকার মানজুর মুহাম্মদ এই গল্পের মাধ্যমে বলতে চেয়েছেন, পাখিরা একটি সুন্দর সুখের নিয়মতান্ত্রিক জীবন চায়। মানুষের মত তারাও চায় তাদের ছানারা পাখিরাজ্যে শ্রেষ্ঠ পাখি হিসেবে বিকাশ লাভ করুক। ছানারা জীবনের নানান ঘাত-প্রতিঘাত প্রতিহত করে দীর্ঘ জীবন লাভ করুক। লেখকের এমন চিন্তাকে অলীক বলে উড়িয়ে দেয়া যাবে না। হয়তো পাখিরা তাদের ছানাদের পাখি রাজ্যের পদ্ধতিতে বিশেষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যোগ্য করে তোলে। যাতে ছানারা নিজেদের নিরাপত্তা নিজেরা নিশ্চিত করতে পারে। যাতে ছানারা পাখিরাজ্যে যোগ্য পাখি হয়ে বেঁচে থাকে। মানজুর মুহাম্মদ তাঁর গল্পগুলোতে পাখি জীবনকে মানবজীবনের নিরিখে পর্যবেক্ষণ করে পাখিজীবনকে মানুষের কাছে সহজভাবে তুলে ধরতে চেয়েছেন। যাতে মানুষ পাখিকে ভালোবাসে, আপন মনে করে। গল্পগুলোতে মানব সমাজে পাখিকুলের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্যে পাখিকে মানুষের মনের খুব কাছে নেয়ার আপ্রাণ প্রচেষ্টা লক্ষণীয়। লেখকের এই পবিত্র প্রচেষ্টা পাঠকের কাছে গল্পগুলো গ্রহণীয় করে তুলবে। শরীফ খান কথাসাহিত্যিক, পাখি ও বন্যপ্রাণী বিশারদ