১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম অত্যাচার, হত্যাকাণ্ড, নারীর সম্ভ্রমহানি ও অগ্নিসংযোগসহ যে পৈশাচিক কর্মকাণ্ড চালিয়েছিল তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। তাদের দুর্দণ্ড দাপটে মানুষের প্রাণ ছিল ওষ্ঠাগত ও আতঙ্কগ্রস্ত। শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত কেউই বাদ যায়নি তাদের নিষ্ঠুরতা থেকে। কিন্তু এরপরও বাঙালি থেমে থাকেনি। এদেশের মানুষ অসীম সাহসিকতা দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করেছে, যুদ্ধ করেছে, প্রতিহত করে শেষ পর্যন্ত ওদের আত্মসমর্পণ করিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী অবলম্বনে এই উপন্যাসের কাহিনী নির্মিত। ছয়জন কিশোরী অসীম সাহসীকতার কাহিনীর ভিত্তি। তানিয়া, রুনা, রাখি, গায়ত্রী, নিতু ও মিতা—এই ছয় কিশোরীও যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। রাজাকারদের হাতে গায়ত্রীদের পুরো পরিবারের মানুষের মৃত্যুর পরেই তানিয়া ওর বন্ধুরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং পরে জীবন বাজি রেখে দেশের স্বাধীনতার জন্য ওরা তৈরি হয়। একদিন রাজাকারদের মুখোমুখি হয়। তানিয়ার চাচ্চু মুক্তিযোদ্ধা আসলামের মাধ্যমে ওরা কিছু অস্ত্র পায় আর সেই অস্ত্র দিয়েই এক রাতে একটি ব্রিজ উড়িয়ে দেয় আর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ভর্তি একটি ট্রেনকে ধ্বংস করে।..






