ছোটদের গল্প রচনায় বিশেষ সতর্ক দৃষ্টি থাকা অবশ্য প্রয়োজন। নরম মনের স্বপ্নসাঁকো শাব্দিক ঝড়-ঝাপটায় যেন নড়ে না ওঠে। ওদের মনস্তাত্ত্বিক পরিমণ্ডলে যেন বিরূপ প্রভাব না পড়ে। বিকাশমান সৃষ্টিশীল চেতনার পথগুলো যেন রুদ্ধ না হয়। মগজের কোষে যেন বিরুদ্ধ বাতাস আঘাত করতে না পারে। তবে হ্যাঁ, যে সমাজে শিশুরা বেড়ে উঠছে, সেই সমাজে ঘাপটি মেরে বসে থাকা কুসংস্কার থেকে মুক্ত করতে, স্বপ্নখেকো অন্ধকার থেকে আলোর দিকে ফিরিয়ে আনতে ওদের মানসজগতে মৃদু শাব্দিক টোকা দেওয়া বা জাগরণের মৃদু স্পন্দন তোলা যায়। তবে সেটাও করতে হবে অত্যন্ত সচেতনভাবে। নিখাদ পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বিশ্লেষণের মাধ্যমে। কাঁচা মস্তিষ্কের কতটুকু ধারণক্ষমতা এবং হাসতে হাসতে, খেলতে খেলতে, নাচতে নাচতে কতটুকু গ্রহণ করতে পারবে- সে বিষয়েও লেখকের সুচারু মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ থাকা জরুরি। ‘ছিলাম গাছ, হলাম পাখি’ গল্পের পাণ্ডুলিপিটি সাজানোর ক্ষেত্রে আলোচ্য বিষয়গুলোর প্রতি সচেতন থাকার যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়েছে। বর্জিত হয়েছে নেতিবাচক শব্দগুলো, বিষয়গুলো। প্রত্যেকটি গল্পেই শিশুদের মনোবিকাশের জন্য কোনো না কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উপাদান রয়েছে, যা নির্মল আনন্দের মধ্য দিয়ে শিশুকে নিয়ে যাবে আলোর জগতে। কাঁচা মনের সৃষ্টিশীল চিন্তাকে আরো বিকশিত করবে। বড়রাও গল্পগুলো পাঠ করে আনন্দ পাবে।
earphonemobile chargersmartphoneiphone 15 pro maxearphone






